
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা।। সুনামগঞ্জ জেলায় বিশ্বম্ভরপুর সদর হাসপাতালের ৩ স্বাস্থ্যকর্মীসহ নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও ১১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর আগে সুনামগঞ্জ জেলায় করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছিল আরও ১৫ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা রোগী শনাক্ত হল ২৬ জন।
জানাযায়, জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় এ পর্যন্ত করোনাভাইরাস আক্রান্ত ৪ জন। এর মধ্যে নতুন ৩ জনই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যকর্মী।
করোনা আক্রন্ত ওই ৩ স্বাস্থ্যকর্মীকে গতকাল আইসোলেশনে নেয়ার পর বুধবার দুপুরে সুনামগঞ্জ সিভিল সার্জন বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সকে লকডাউন ঘোষণা করেন। আইসোলেশনে নেয়া ৩ স্বাস্থ্যকর্মীর একজন এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইবার, একজন স্যানেটারী ইন্সপেক্টর ও একজন স্বাস্থ্যকর্মী। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন মো. শামস উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলার ২৬ জন করোনা আক্রন্তের মধ্যে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে আইসোলেশনে থাকা দুই জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তিনি জানান, জেলা স্বাস্থ্যবিভাগের পক্ষ থেকে আইসোলেশনে থাকা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরা ওই দুই ব্যক্তিকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, ২২ ও ২৩ এপ্রিল সুনামগঞ্জ জেলা থেকে যাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল, তাদের মধ্য থেকে পরীক্ষায় ১১ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে।
সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ল্যাব থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, নতুন শনাক্তদের মধ্যে জেলায় বিশম্ভরপুর উপজেলাই সব ছেয়ে বেশি চার জন, দোয়ারাবাজার উপজেলার তিন জন, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার দুই জন, জগন্নাথপুরের একজন এবং সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার একজন রয়েছেন, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্র লকডাউন, স্বাস্থ্যকর্মীসহ ৩ জন করোনায় সংক্রমিত
সুনামগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. শামসুদ্দিন বলেন, ২৭ এপ্রিল বিশ^ম্ভপুর উপজেলায় ৪ জনের করোনা শণাক্ত হয়। এর মধ্যে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্রের স্বাস্থ্যকর্মীসহ ৩ জন করোনা ভাইরান সংক্রমনে আক্রান্ত হয়েছেন। এ কারণে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্রে লকডাউন করা হয়েছে। তিনি বলেন, হাসপাতালের সবার নমুনা তিনদিনের মধ্যে সংগ্রহ করে সিলেট করোনা পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে। সবার ফলাফল আসার পর পরিস্থিতি দেখে পরবর্তীতে লকডাউন তুলে নেওয়া হবে।